""নারী নির্যাতন""

প্রকাশ: ১০:৪৫, ৯ মার্চ ২০২৪ | আপডেট: ০৫:৪৫, ২৩ মে ২০২৫


মোঃ হারুন-অর-রশিদ



অনেক সখে পছন্দের পাত্রের নিকট,

করেছিলেন কন্যা সমর্পন।

কিছুদিন সুখ স্বাচ্ছন্দে থাকিলেও,

শুরু হয়ে যায় নির্যাতন।


যৌতুকের আবদার তুলে প্রতিদিন,

অবহেলার আগুনে পিষে।

একটি কথার অতিরিক্ত বলিলে,

জ্বালিয়ে মারে বিষে।


দেবর, ননদ, শাশুড়ির যন্ত্রনা,

শুরু হয়ে যায় নিত্য।

অত্যাচারের যাতনার ছুবলে পড়ে,

প্রতিদিন হয় অশ্রুশিক্ত।


রান্নাবান্নার ছুতা ধরিয়া,

শুরু করে নানান গালি।

দলবদ্ধ হয়ে চুলের মুঠি ধরে বলে,

তুই কলংকের কালি।


মিথ্যা অপবাদ রটিয়ে দিয়ে,

নিজেরা সাজে শুদ্ধ।

প্রতিবাদের মুখ যেন শীলগালা,

নারীরা আজ ঘরে অন্ধ।


গায়ে পড়ে ঝগড়া বাধিয়ে,

করে কানা ঘুষা।

সুখ দেখলেই স্বামীকে শুনায়,

নানান ধরনের কুৎসা।


নির্যাতনের মাত্রায় অতিষ্ট হয়ে,

সিদ্ধান্ত নেয় শেষে।

মামলা রুজু করতে স্বজন,

কোর্ট কাচারীতে আসে।


চলছে বিচার আদালতে,

রুজু হয়েছে মামলা।

দিনে রাতে বরের বাড়ীতে,

পুলিশ করে হামলা।


গ্রেফতার হয় চালান হয়,

জামিনে বেড়িয়ে আসে।

জামিন যেন কলাপাতা,

হাজিরা দেয় মাসে।


এত দুর্বল বিচার ব্যবস্হা,

নারী নির্যাতন সেল।

বিচারের বানী নিভৃতে কাঁধে,

নারীদেরই যেন জেল।


নারী নির্যাতন আজ এতই তীব্র,

ছেয়ে গেছে দেশ।

আইনের সংশোধন না করিলে,

নারী অধিকার শেষ।


জেল কারাগার মামলা হামলা,

তবু থেমে নেই নির্যাতন।

দুর্বল আইনের ফাদেঁ পড়ে,

নারী অধিকার ভূলন্টন।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন