মাহমুদুল হাসান ,ময়মনসিংহ
প্রকাশ: ১২:৩৫, ২৭ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১২:৩৭, ২৭ আগস্ট ২০২৬
কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িকতার কবি। তাঁর সৃষ্টিতে যেমন বিদ্রোহের দীপ্তি রয়েছে, তেমনি রয়েছে প্রেম, সৌন্দর্য, সাম্য ও মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা। বিদ্রোহী, সাম্যবাদী ‘দারিদ্র্য’সহ অসংখ্য কবিতা তাঁর অনন্য সৃষ্টিশীলতার সাক্ষ্য বহন করে। তাঁর রচিত গান নজরুলসংগীত আজও বাঙালির হৃদয়ে গভীরভাবে অনুরণিত হয়।
নজরুল শুধু একজন কবি নন, তিনি বাঙালির আত্মপরিচয়, প্রতিবাদ ও মুক্তচিন্তার এক শক্তিশালী প্রতীক। ধর্ম-বর্ণের বিভেদ ভুলে তিনি মানবতার জয়গান গেয়েছেন। তাঁর সাহিত্য মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে এবং নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়াতে অনুপ্রেরণা দেয়।
১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়। তাঁর সমাধি আজও কবির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার অন্যতম স্মারক হয়ে আছে।
মৃত্যুর অর্ধশত বছর পেরিয়ে গেলেও নজরুলের সৃষ্টি আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও মানুষের স্বাধীন চেতনার সঙ্গে তাঁর নাম চিরকাল অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে থাকবে।
৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তাঁর সাহিত্য ও দর্শন নতুন প্রজন্মকে মানবতা, সাম্য এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শক্তি জোগাক,এটাই প্রত্যাশা।