মোঃ আহছান উল্লাহ, কুমিল্লা (দক্ষিণ)
প্রকাশ: ১৭:৩৩, ৪ অক্টোবর ২০২৬
রোববার দুপুরে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, রোববার সকালে দুই কিশোরকে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়। এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত অপ্রতিম হত্যা মামলার দুই আসামিসহ আরও ২৫ কিশোরকে পর্যায়ক্রমে সেখানে পাঠানো হয়।
জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্র জানায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে কুমিল্লা নগরীসহ জেলার ১৮টি থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান শুরু হয়। ২ অক্টোবর গভীর রাত পর্যন্ত পাঁচ দফার অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যসহ মাদক ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২ হাজার ৪২ জনকে আটক করা হয়।
আটকদের মধ্যে ৮৩৩ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে এক হাজার ২০৯ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশের দাবি, তাদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী।
এদিকে চলমান অভিযানে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দির সংখ্যা ধারণক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। দেড় হাজার বন্দির ধারণক্ষমতার কারাগারটিতে রোববার সকালে বন্দির সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৩ হাজার ৫০০। এতে প্রচণ্ড গরমে বন্দিদের গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে।
সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বলেন, কষ্ট হলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছে। কারাগারে চারটি নতুন বহুতল ভবন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। এগুলো চালু হলে বন্দিদের আবাসন সংকট থাকবে না।
উল্লেখ্য, গত ১৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ড. নাহিদা বেগমের ছেলে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে দুই কিশোরকে ২১ সেপ্টেম্বর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।