ইয়াছিন মাহমুদ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
প্রকাশ: ১৯:২৯, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
দলীয় সূত্রে জানা যায়, শারদীয় দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কেন্দ্র থেকে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির-১০ সদস্যের মনিটরিং কমিটি অনুমোদন পায়। কমিটিতে জসিম উদ্দিন রিপনকে আহ্বায়ক এবং আলী আজমকে সদস্য সচিব করা হলেও বাদ পড়েন স্বেচ্ছাসেবক দলের কোনো প্রতিনিধি।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তারা রাজপথের সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অথচ পূজার মতো বড় একটি ধর্মীয় উৎসব পর্যবেক্ষণ ও তদারকিতে গঠিত-১০ সদস্যের কমিটিতে তাদের সম্পূর্ণ উপেক্ষিত রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলিপ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এক প্রতিক্রিয়ায় দেলোয়ার হোসেন দিলিপ বলেন, "ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের আন্দোলনে সামনের সারিতে থেকে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু দুর্গাপূজার এই মনিটরিং কমিটিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের কারও নাম না রাখাই অত্যন্ত হতাশা এবং দুঃখজনক বলে প্রকাশ করেন।
জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, "আমাকে যদি আপনাদের পছন্দ নাও হয়, তবে দলের অন্য নেতাকর্মীদের মধ্য থেকে যাঁকে পছন্দ হয়, তাঁকেই অন্তত দুটি পদে এই কমিটিতে যুক্ত করার জোর আবেদন জানাচ্ছি। মনে রাখতে হবে, সময়ের কাছে মানুষ কিন্তু বড় অসহায় বিশেষ করে রাজনীতিবিদরা।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতে, পূজামণ্ডপ পর্যবেক্ষণ ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে মাঠপর্যায়ে যারা সক্রিয়, তাদের সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত জরুরি ছিল। আন্দোলনে ত্যাগ স্বীকার করা নেতাদের উপযুক্ত মূল্যায়ন না করায় সংগঠনের মধ্যে বিভাজন ও অসন্তোষ দিন দিন বাড়ছে বলে মনে করছেন তারা।