মোত্তাসিম সিকদার রাজীব, গাজীপুর
প্রকাশ: ১৬:৫০, ২০ অক্টোবর ২০২৬
ছাঁটাই হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—নিট কম্পোজিট, স্পিনিং, কটন ও কেয়া ইয়ার্ন মিলস লিমিটেড। ব্যাংকিং জটিলতা, গ্যাস বিল বকেয়া এবং অতিরিক্ত জনবলের কারণ দেখিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে ছাঁটাইয়ের তালিকা দেখতে কারখানার সামনে ভিড় করেন শ্রমিকেরা। দীর্ঘদিন কাজ করার পর হঠাৎ চাকরি হারিয়ে অনেকেই হতাশা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। তাঁদের ভবিষ্যৎ জীবিকা ও পরিবারের ব্যয় নির্বাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শ্রম আইন অনুযায়ী ছাঁটাই হওয়া শ্রমিক-কর্মচারীদের যাবতীয় পাওনা পরিশোধ করা হবে।
এদিকে, শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক জোট বাংলাদেশ। শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে শ্রমিক সংগঠনটির মধ্যে।
অন্যদিকে, সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কারখানার প্রধান ফটকে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় দফায় একসঙ্গে ৭৩৯ শ্রমিক-কর্মচারীর ছাঁটাইয়ের ঘটনায় কেয়া গ্রুপের কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এখন ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের পাওনা যথাসময়ে পরিশোধ এবং তাঁদের জীবিকা নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা নিরসনই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।