এস আলম, জামালপুর
প্রকাশ: ১৬:৩৩, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি থানার হরিচণ্ডী গ্রামের মো. মনিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মণ্ডলপাড়া এলাকার একটি গ্রাম্য জামে মসজিদে ইমামতি করার পাশাপাশি শিশুদের আরবি পড়াতেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর মণ্ডলপাড়া এলাকার ওই মসজিদে এই পাশবিক ঘটনা ঘটে। তখন ভুক্তভোগী শিশুটির বয়স ছিল ১৫ বছর এবং সে নিয়মিত ওই মসজিদে আরবি পড়তে যেত।
অভিযোগে বলা হয়, অন্যান্য শিক্ষার্থীদের ছুটির পর ভুক্তভোগীকে কৌশলে মসজিদে রেখে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করাতেন মুছা মিয়া। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে একই কায়দায় ওই বছরের ১ ও ২ ডিসেম্বরও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে ২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, "আলাদাভাবে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও যুক্তিতর্কের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। বিচারক মহোদয় তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। এই রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট।"
আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও বাদীপক্ষও।