মো:মিজানুর রহমান সাগর, বাগেরহাট
প্রকাশ: ১৬:২০, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
সমাবেশে আইজিপি বলেন, বিগত ১৭ বছর রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় পাড়া-মহল্লায় মাদকের আখড়া গড়ে তোলা হয়েছিল। পাড়া-মহল্লায় ডিলার দিয়ে মাদকের আখড়া তৈরি করা হয়েছিল। মাদক নির্মূলে পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স।
পুলিশের ভেতরের শুদ্ধি অভিযানের বিষয়ে আইজিপি বলেন, গত দুই মাসে মাদকের কারণে তিনি ২৭ জন পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, "আপনারা আর কী চান? আগে ঘর পরিষ্কার হোক, তারপর আপনারা পরিষ্কার হবেন।" একই তথ্য ইংরেজিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনেও জানানো হয় যে ২৭ জন পুলিশ সদস্যকে জেলে পাঠানো হয়েছে।
এ সময় তিনি আরও জানান, চলতি বছর ২০ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, তবে একসঙ্গে এত সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত অবকাঠামো নেই। পুলিশের যানবাহন সংকট মেটাতে ৫ হাজার ৮০০ গাড়ি কেনার প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আইজিপি বলেন, "পুলিশকে শক্তিশালী না করলে আমরা সমাজে দিনে-রাতে কেউই স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারব না"। মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে সকলের সহযোগিতা চান তিনি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম এবং বাগেরহাটে জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন। এছাড়া জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।