নিজস্ব প্রতিবেদক, হবিগঞ্জ
প্রকাশ: ১৬:৩৫, ১৮ মার্চ ২০২৬
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ফেরদৌসীর হাত-পা ও মুখ বাঁধা এবং গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে পুত্রবধু তামান্নাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তদন্তে দেখা গেছে, তামান্নার স্বামী দুবাইয়ে অবস্থান করায় এবং শাশুড়ির কাছে থাকা পাঁচ ভরি স্বর্ণালঙ্কারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধের সূত্র ধরে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে যোগসাজশে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
পুলিশ জানায়, রবিবার রাতে তামান্না ও তার সহযোগীরা পেছনের দরজা দিয়ে প্রবেশ করে ফেরদৌসীকে বাধা দিলে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে। ঘটনাটি চুরি বলে দেখানোর জন্য তামান্নাকেও বেঁধে রাখা হয়।
মঙ্গলবার নিহতের ভাই পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে র্যাব অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি তামান্নাকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোনায়েম মিয়া জানান, তামান্না জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়েছেন। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান এখনও চলছে।