বটিয়াঘাটায় রফিক বাহিনীর খামার থেকে অস্ত্র উদ্ধার

​এস কে রবিউল ইসলাম , খুলনা

প্রকাশ: ১৬:০৪, ২ নভেম্বর ২০২৬

বটিয়াঘাটায় রফিক বাহিনীর খামার থেকে অস্ত্র উদ্ধার

খুলনার বটিয়াঘাটায় কথিত ‘রফিক বাহিনীর’ প্রধান রফিক শেখের একটি কৃষি খামার থেকে আগ্নেয়াস্ত্রের ৬টি ম্যাগাজিন, তাজা বুলেট ও দেশীয় অস্ত্রসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করেছে বটিয়াঘাটা থানা পুলিশ। গত ২৮ অক্টোবর দিবাগত রাতে বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের বিরাট গ্রামের কামাল গোলদারের মোড়-সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বটিয়াঘাটা থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল রফিক শেখের মালিকানাধীন কৃষি খামারে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় খামার তল্লাশি করে পিস্তলের ৬টি ম্যাগাজিন, ৭.৬৫ মি.মি. সাইজের ১ রাউন্ড তাজা বুলেট এবং ১টি রামদা উদ্ধার করা হয়।

​এছাড়া অভিযানে খামার থেকে বেশ কিছু সন্দেহজনক আলামত জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— রেজিস্ট্রেশনবিহীন কালো রঙের একটি সুজুকি মোটরসাইকেল (যার ট্যাংকের সাইড কাভারে ‘SAJIB’ স্টিকার, ইঞ্জিন নম্বর: BGA5-232069 এবং চেসিস নম্বর: RMBL-EDBF-158853), পুরোনো একটি স্যামসাং অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং ‘Md. Rafiq Sheikh, Merchant Development Officer, Alfi Trade International Agency Khulna (Authorized Agency of bKash)’ লেখা একটি পরিচয়পত্র।
​অভিযান-পরবর্তী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, সম্প্রতি গভীর রাতে রফিক শেখের ওই কৃষি খামারে অজ্ঞাতপরিচয় কিছু ব্যক্তির সন্দেহজনক আনাগোনা ছিল।

​একাধিক মামলার আসামি রফিক শেখ:

অনুসন্ধানে জানা যায়, কথিত ‘রফিক বাহিনীর’ প্রধান রফিক শেখের বিরুদ্ধে খুলনা সদর ও লবণচরা থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কেএমপি’র লবণচরা থানায় অস্ত্র আইনে (The Arms Act, 1878 এর 19A/19(f) ধারা) ২০২৬ সালে দায়ের করা একটি মামলায় (এফআইআর নং-১২, তারিখ- ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬; জি আর নং-১৩৪, তারিখ- ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) তিনি এজাহারভুক্ত আসামি। এছাড়া ২০১৬ সালে খুলনা সদর থানায় দণ্ডবিধির ১৪৩/৩২৩/৩৭৯/৫০৬ ধারায় চুরি, সাধারণ আঘাত ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে দায়ের করা আরেকটি মামলারও (এফআইআর নং-১৩, তারিখ- ১০ নভেম্বর, ২০১৬; জি আর নং-৩৫৬, তারিখ- ১০ নভেম্বর, ২০১৬) এজাহারভুক্ত আসামি তিনি।

​আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত আলামতের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার প্রক্রিয়ার গোপনীয়তা এবং তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে তথ্য জানাতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন