এস কে রবিউল ইসলাম , খুলনা
প্রকাশ: ১৬:০৪, ২ নভেম্বর ২০২৬
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বটিয়াঘাটা থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল রফিক শেখের মালিকানাধীন কৃষি খামারে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় খামার তল্লাশি করে পিস্তলের ৬টি ম্যাগাজিন, ৭.৬৫ মি.মি. সাইজের ১ রাউন্ড তাজা বুলেট এবং ১টি রামদা উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া অভিযানে খামার থেকে বেশ কিছু সন্দেহজনক আলামত জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— রেজিস্ট্রেশনবিহীন কালো রঙের একটি সুজুকি মোটরসাইকেল (যার ট্যাংকের সাইড কাভারে ‘SAJIB’ স্টিকার, ইঞ্জিন নম্বর: BGA5-232069 এবং চেসিস নম্বর: RMBL-EDBF-158853), পুরোনো একটি স্যামসাং অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং ‘Md. Rafiq Sheikh, Merchant Development Officer, Alfi Trade International Agency Khulna (Authorized Agency of bKash)’ লেখা একটি পরিচয়পত্র।
অভিযান-পরবর্তী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, সম্প্রতি গভীর রাতে রফিক শেখের ওই কৃষি খামারে অজ্ঞাতপরিচয় কিছু ব্যক্তির সন্দেহজনক আনাগোনা ছিল।
একাধিক মামলার আসামি রফিক শেখ:
অনুসন্ধানে জানা যায়, কথিত ‘রফিক বাহিনীর’ প্রধান রফিক শেখের বিরুদ্ধে খুলনা সদর ও লবণচরা থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কেএমপি’র লবণচরা থানায় অস্ত্র আইনে (The Arms Act, 1878 এর 19A/19(f) ধারা) ২০২৬ সালে দায়ের করা একটি মামলায় (এফআইআর নং-১২, তারিখ- ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬; জি আর নং-১৩৪, তারিখ- ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) তিনি এজাহারভুক্ত আসামি। এছাড়া ২০১৬ সালে খুলনা সদর থানায় দণ্ডবিধির ১৪৩/৩২৩/৩৭৯/৫০৬ ধারায় চুরি, সাধারণ আঘাত ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে দায়ের করা আরেকটি মামলারও (এফআইআর নং-১৩, তারিখ- ১০ নভেম্বর, ২০১৬; জি আর নং-৩৫৬, তারিখ- ১০ নভেম্বর, ২০১৬) এজাহারভুক্ত আসামি তিনি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত আলামতের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার প্রক্রিয়ার গোপনীয়তা এবং তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে তথ্য জানাতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে