আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২০:৫৪, ৭ অক্টোবর ২০২৬
বুধবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এসব বিষয়ে কথা বলেন মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্টদের প্রত্যর্পণ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন, ‘প্রত্যর্পণের বিষয়টি মূলত একটি আইনি বিষয়। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আইনগত দিক রয়েছে।’
এর আগেও ভারত এ বিষয়ে একই অবস্থান জানিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট আইনগত বিষয়গুলো বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে বিদেশে থাকা ভারতীয়দের কল্যাণ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন, ‘বিদেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের কল্যাণে ভারত সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাইলে জয়সওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পৃক্ততার মূল লক্ষ্য হলো একটি গঠনমূলক, ভবিষ্যৎমুখী ও ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলা।’ এই দৃষ্টিভঙ্গিই বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততাকে পরিচালিত করছে বলে জানান তিনি।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছিলেন, তারেক রহমানের ভারত সফর হবে, তবে এ সফরের তারিখ নিয়ে এখনো আলোচনা হয়নি। দুই দেশের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির জন্য সময় দেওয়া উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেছিলেন।
দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে।
গত ৩ অক্টোবর দীনেশ ত্রিবেদী বলেছিলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যেসব বিষয় অমীমাংসিত রয়েছে, সেগুলো নিয়ে নিয়মিত আলোচনা, পারস্পরিক সম্মান ও আস্থার ভিত্তিতে এগোনো প্রয়োজন।
শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে দীনেশ ত্রিবেদী সম্প্রতি বলেছেন, বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে এবং এ বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা বলা সম্ভব নয়।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের অনেক শীর্ষ নেতা ও কর্মকর্তা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।