মো: রিয়াজ উদ্দিন (বান্দরবান)
প্রকাশ: ২২:৪৫, ৭ অক্টোবর ২০২৬
নিহত নাসরিন সুলতানা অংসারঝিরি এলাকার আব্দুল গফুর ও রুপিয়া খাতুনের মেয়ে। স্বজনদের দাবি, কুতুবদিয়া উপজেলার লেমশীখালী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সাহাজিল পাড়ার মো. বেলালের (১৯) সঙ্গে নাসরিনের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। বেলালের বাবা মৃত আবু তালেক এবং মা ফরিদা বেগম।
নিহতের স্বজনরা জানান, নাসরিন ও বেলালের মধ্যে প্রায় আট বছর ধরে সম্পর্ক চলছিল। সম্প্রতি তাদের বিয়ের বিষয়ে দুই পরিবারের মধ্যে আলোচনা চলছিল। একপর্যায়ে বিয়ের কাবিন ও অন্যান্য খরচ বাবদ নাসরিনের পরিবারের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলা হলেও বেলালের পরিবারের পক্ষ থেকে ৬০ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ স্বজনদের।
নিহতের ভাই আলী আহম্মদ অভিযোগ করে বলেন, তার বোনের মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে তাদের সন্দেহ। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
ঘটনার খবর পেয়ে কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (আইসি) জামিল আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, নাসরিন সুলতানার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী এবং এ ঘটনায় কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না—তা এখনো নিশ্চিত নয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং দোষীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।