লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ২২:২৫, ৫ নভেম্বর ২০২৬
আগেই জাহাজের টিকিট কাটা
সেন্ট মার্টিন ভ্রমণের দিন–তারিখ ঠিক হলে জাহাজের টিকিট কেটে নিন। এতে শেষ মুহূর্তে টিকিট না পাওয়া নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হবে না। টিকিট কাটতে জাহাজগুলোর ওয়েবসাইট থেকে টিকিট সংগ্রহ করুন। চাইলে জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকসেবা নম্বরে ফোন করেও টিকিট বুকিং করতে পারেন। আবার বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্টের কাছ থেকেও টিকিট কিনতে পারেন।
যে যে জাহাজ যাবে সেন্ট মার্টিন
ভ্রমণের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করার আগেই জেনে নিন চলতি মৌসুমে কোন কোন জাহাজ চলাচলের অনুমতি পেয়েছে। এ মৌসুমে কক্সবাজার–সেন্ট মার্টিন নৌপথে দশটির মতো জাহাজ চলাচল করবে। এর মধ্যে এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, বে-ক্রুজার ১, এমভি বারো আউলিয়া, কেয়ারি সিন্দাবাদের টিকিট কাটতে পারেন।
জাহাজের ভাড়া সম্পর্কে ধারণা
সেন্ট মার্টিনগামী জাহাজে কোন শ্রেণির আসনে করে যাবেন, তার ভিত্তিতে ভাড়ার তারতম্য হবে। সাধারণ সিট, বিজনেস চেয়ার, মোজার্ট চেয়ার, বেড ও কেবিন সুবিধা অনুযায়ী যাওয়া-আসার টিকিটের দাম ৩ হাজার ৫০০ থেকে ১৫-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। টিকিট কাটার আগে আসনের ধরন, ভাড়া ও প্রাপ্যতা যাচাই করে নিন।
ট্রাভেল পাসও জরুরি
সেন্ট মার্টিন যেতে পর্যটকদের ট্রাভেল পাস নিতে হবে। তবে ট্রাভেল পাস নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে না। আলাদাভাবে নিবন্ধনও করতে হবে না। জাহাজের টিকিট বুকিংয়ের পর নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাজ বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড কর্তৃক জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানই সম্পন্ন করবে।
রিসোর্ট বুকিং
সেন্ট মার্টিনে ২৩০টির বেশি হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে। সেখানে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা আছে। তবে দ্বীপে গিয়ে হোটেল বা কটেজ ঠিক করার চেয়ে ভালো হবে যাওয়ার আগেই ঠিক করে রাখা। এতে যাওয়ার সাথে সাথে রিসোর্টে গিয়ে ফ্রেশ হতে পারবেন। আবার সময়ও নষ্ট হবে না।
রিসোর্টের ভাড়া সাধারণত আবাসনের ধরন ও সুবিধার ওপর নির্ভর করে। ভালো মানের রিসোর্ট ও হোটেলে এক রাতের ভাড়া ৮ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে ৪-৬ হাজার টাকায় থাকতে স্ট্যান্ডার্ড মানের হোটেল বেছে নিতে পারেন। ১ হাজার ৫০০ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকার মধ্যে থাকতে ইকোনমি হোটেল ও রিসোর্ট বেছে নিতে পারেন। হোটেল ঠিক করার আগে ওয়েবসাইটে গিয়ে কোনো বিশেষ অফার বা ছাড় আছে কিনা দেখে নিন।
যা মনে রাখবেন
সেন্ট মার্টিনে গেলে প্রতিটি পর্যটককে ১০০ টাকা করে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে। দ্বীপে যাওয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পলিথিন ও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক এড়িয়ে চলুন। সৈকতে গিয়ে উচ্চ শব্দ করা, রাতে দীর্ঘসময় আলো জ্বালিয়ে রাখা থেকে বিরত থাকুন। বন্ধুদের নিয়ে বারবিকিউ পার্টিতে মাতবেন না। এমনকি সৈকতে মোটরচালিত যানবাহন না চালিয়ে বাইসাইকেল চালাতে পারেন।