নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
প্রকাশ: ১৯:৪৩, ২ অক্টোবর ২০২৬
এর আগে শুক্রবার বিমানবন্দর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজীব। মামলায় সরকারি কাজে বাধা, হুমকি, মারধর ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ দণ্ডবিধির কয়েকটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ১ অক্টোবর মদিনা থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটের যাত্রীদের চাপের কারণে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর লাগেজ বেল্ট এলাকায় ট্রলির সংকট তৈরি হয়। এতে লাগেজ সংগ্রহে বিলম্ব হলে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি সামাল দিতে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ ঘটনাস্থলে যান। এ সময় আখতারুজ্জামান তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান এবং গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আখতারুজ্জামানের সঙ্গে থাকা কয়েকজন প্রটোকল সহকারী বিমানবন্দরের সংরক্ষিত এলাকায় মোবাইল ফোনে ভিডিও করছিলেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপত্তা কর্মকর্তা ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন তাদের ভিডিও ধারণে নিষেধ করলে তার সঙ্গেও আখতারুজ্জামান অশোভন আচরণ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
এ ছাড়া যাত্রীদের ট্রলিতে থাকা জমজমের পানির বোতল ফেলে ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক প্রতিনিধির সঙ্গে মারমুখী আচরণের অভিযোগও মামলায় রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা অবশ্য তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
এদিকে মামলার এজাহার আদালতে উপস্থাপনের পর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছেন আদালত। মামলাটির তদন্ত করছেন বিমানবন্দর থানার এসআই মাজেদুল ইসলাম।
আখতারুজ্জামান ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত ও আদালতের পরবর্তী কার্যক্রমের মধ্যেই শুক্রবার তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।