মুহাম্মাদ জহিরুল ইসলাম জহির, নান্দাইল (ময়মনসিংহ)
প্রকাশ: ২২:৩৩, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঘটনার তিন দিন পর আজ বুধবার বিকেলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে বিষয়টি সর্বসাধারণের মধ্যে জানাজানি হয়।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার সকালে প্রতিদিনের মতো স্থানীয় প্রায় ৩০ জন শিশু মসজিদে আরবি পড়তে যায়। পাঠদান শেষে ওই জামায়াত নেতা অন্য শিশুদের ছুটি দিলেও কৌশলে ৯ বছরের শিশুটিকে আটকে রাখেন। সবাই বের হয়ে গেলে মসজিদের দরজা বন্ধ করে শিশুটির ওপর নিপীড়নের চেষ্টা চালানো হয়। কোনোমতে তার হাত থেকে ফসকে শিশুটি দৌড়ে বাড়ি ফিরে স্বজনদের বিস্তারিত জানায়।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিযুক্ত জামায়াত আমির নিজের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তাদের ভয়ভীতি দেখান এবং বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে শালিস বৈঠক বসলেও দীর্ঘ তিন দিনেও কোনো সুষ্ঠু সমাধান পায়নি পরিবারটি। কোনো প্রতিকার না পেয়ে বুধবার উত্তেজিত জনতা দলবদ্ধ হয়ে অভিযুক্তের বাড়িতে চড়াও হলেও তার আগেই এলাকা ছেড়ে গা-ঢাকা দেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বেলাল মুন্সি জানান, মোবাইলে নম্বর তুলে দেওয়ার বিষয় নিয়ে শিশুটিকে শাসন করায় সে মিথ্যা দাবি করছে। আর জানের ভয়ে তিনি এলাকা ছেড়েছেন বলে দাবি করেন।
এ বিষয়ে নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।