মোঃ আজিজুর রহমান, নোয়াখালীঃ
প্রকাশ: ২২:০৪, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম ও বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের কার্যসহকারী মো. মহিন উদ্দিন।
বুধবার এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে তাদের সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত নির্মাণসামগ্রীর পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করায় সরকারের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। অসদাচরণ ও দুর্নীতিপরায়ণতার অভিযোগে বিধিমালার ১২(১) অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন তারা ভরণপোষণ ভাতা পাবেন।
এলজিইডি সূত্র জানায়, বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাট থেকে সাহেবেরহাট ও হাসানহাট হয়ে মাইজদী আঞ্চলিক মহাসড়কে ৪৯ দশমিক ০৬ মিটার দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। মেসার্স হক ট্রেডার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেতুটির নির্মাণকাজ করছে।
এ ঘটনায় নোয়াখালী জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী যুগল কৃষ্ণ মণ্ডল, বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ, উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম ও কার্যসহকারী মো. মহিন উদ্দিনকে পৃথক চারটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নোয়াখালী এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক এ এস এম মহসীনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ তদন্ত করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
এলজিইডির চিঠি অনুযায়ী, গত ২১ সেপ্টেম্বর সেতুটির নির্মাণকাজ সরেজমিন পরিদর্শন করেন এলজিইডির সুপারিনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার, ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। এ সময় সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাবের কাজ অত্যন্ত নিম্নমানের এবং নকশা ও স্পেসিফিকেশনবহির্ভূত বলে দেখতে পান তারা। একই সঙ্গে রেলিংয়ের রডের কাজও নিম্নমানের বলে প্রতীয়মান হয়।
এর আগে অনিয়মের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দুই প্রকৌশলীর কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়। পাশাপাশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ত্রুটিপূর্ণ কাজ সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শীর্ষ সংবাদ: