নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২০:৪৯, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন অংশের নির্মাণকাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি সুরক্ষা দেয়াল ও শাটারিংয়ের কাজের মান বজায় রাখার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেয়ালের ফিনিশিং আরও সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন।
মন্ত্রী বলেন, নির্মাণশৈলী একটি দেশের সক্ষমতা ও কারিগরি দক্ষতার পরিচায়ক। তাই অবকাঠামো নির্মাণে শুধু কাজ শেষ করাই যথেষ্ট নয়; এর গুণগত মান, স্থায়িত্ব, সৌন্দর্য ও সামগ্রিক নির্মাণশৈলীও নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি নির্ধারিত মান অনুসরণ করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের নির্দেশনা দেন।
এ সময় সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ মন্ত্রীকে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি প্রকল্পের বিভিন্ন নির্মাণকাজের বর্তমান অবস্থা ও বাস্তবায়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরেন।
প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এর ভৌত অগ্রগতি ৯৮ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৮২ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
প্রকল্পটির আওতায় পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি দোতলা সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ ও সময়সাশ্রয়ী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া যানজট কমানো, যাতায়াতের সময় সাশ্রয় এবং শিল্পাঞ্চলের পণ্য পরিবহনে গতি বাড়াতেও প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।