আদনান তালুকদার, কুয়েট
প্রকাশ: ০১:২৯, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাষ্ট্রপতি বলেন, এআই যাতে নিয়ন্ত্রণহীন ও যথেচ্ছভাবে ব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের কারণে মানুষের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই জনকল্যাণে এআইয়ের পরিমিত ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সাক্ষাৎকালে জনকল্যাণে আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ন্যানো ও জৈবপ্রযুক্তি এবং সেমিকন্ডাক্টর খাতে গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনে এগিয়ে আসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
এ সময় কুয়েটের উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার সুযোগ শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক না রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।
জাতীয় পর্যায়ের গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও বেশি সম্পৃক্ত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে কুয়েটের আসন্ন সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিবসহ কুয়েটের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. এম. এম. এ. হাসেম, রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. আশরাফুল গনি ভূঁইয়া ও প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুর রফিক, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মুহাম্মদ শাহজাহান আলী ও প্রফেসর ড. মোঃ রোকনুজ্জামান, ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ ফারুক হোসেন, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মাদ ইলিয়াছ ইনাম ও প্রফেসর ড. মোঃ শরিফুল ইসলাম, এনার্জি সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ হাসান আলী এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রুবাইয়াত মোস্তাক।