শেয়ারবিজনেস ডেস্ক
প্রকাশ: ১১:২৭, ২৮ জুন ২০২৬
পুলিশ আরও জানিয়েছে, শাহাদাত হোসেনের অবস্থান সম্পর্কে কারও কাছে কোনো তথ্য বা সূত্র থাকলে রোম কোয়েস্টের মোবাইল টিমের 3346903295 নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সন্দেহভাজন শাহাদাত হোসেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি নিহত পরিবারের পূর্বপরিচিত ছিলেন। এছাড়া তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক পদেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
এদিকে নিহত কামাল উদ্দিন বাবুলের বাবা মোহাম্মদ সিরাজ দাবি করেছেন, এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। শনিবার সকালে তিনি জানান, অভিযুক্ত শাহাদাতের পরিবারের সদস্যরা তাঁদের বাড়িতে সমবেদনা জানাতে এসেছিলেন।
হত্যাকাণ্ডের আগে সন্দেহভাজন শাহাদাত হোসেন নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লিখেছিলেন, “একজন মানুষ শুধু নিজে একা মরে না, নিজেও মরে অন্যকে মরার মতো করে রেখে যায়। তাই মরার সময় প্রিয়জনদেরও সঙ্গে নিয়ে মরা উচিত। তাতে কারও জন্য কাউকে কষ্ট পেতে হয় না।”
উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে রোমের পার্শ্ববর্তী ক্যাসালোত্তি এলাকার ভিয়া মন্তিলিওর একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামাল উদ্দিন বাবুল (৪০), তাঁর স্ত্রী আরজু বেগম (৩৮) এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত বড় ছেলে আমির হোসেন অয়নকে (১৮) উদ্ধার করে রোমের জেমেলি পলিক্লিনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত তিনজনের মরদেহ বর্তমানে রোমের একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।