নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
প্রকাশ: ১৫:৪৯, ৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৭ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আগের তুলনায় ১ দশমিক ২ শতাংশীয় পয়েন্ট কমিয়েছে বিশ্বব্যাংক। একইভাবে ২০২৬ অর্থবছরের পূর্বাভাস কমানো হয়েছে ০ দশমিক ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট।
বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০২৩ সাল থেকেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। জ্বালানি ও আর্থিক খাতের দুর্বলতা, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণে ঘাটতি এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বড় বাধা তৈরি করছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিনিয়োগ কমেছে, রপ্তানির গতি শ্লথ হয়েছে এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। পাশাপাশি বেড়েছে ব্যবসার খরচ। আর্থিক খাতের দুর্বলতার কারণে ঋণপ্রবাহ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সীমিত রাজস্ব সক্ষমতার কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে সরকারি বিনিয়োগও।
তবে শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উন্নতিতে দেশের বহিঃখাত তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানবিষয়ক বিভাগের পরিচালক জ্যঁ পেসমে বলেন, অর্থনৈতিক মন্দা এড়াতে এবং বেসরকারি বিনিয়োগনির্ভর অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির পথে ফিরতে ব্যাংকিং খাত, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ ও জ্বালানি খাতে দ্রুত ও সাহসী সংস্কার প্রয়োজন।