নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২২:৫১, ১ নভেম্বর ২০২৬
রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য নির্ধারিত সময়ে টার্মিনালটির মাধ্যমে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পুনরায় গ্যাসে রূপান্তরের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এ প্রক্রিয়াকে রিগ্যাসিফিকেশন বলা হয়।
পেট্রোবাংলার হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। রক্ষণাবেক্ষণ চলাকালে তা কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসতে পারে। ফলে দৈনিক প্রায় ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট বা ৩৫ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ কমবে।
এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের চাপ কমে যেতে পারে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও আবাসিক খাতে গ্যাস সরবরাহে সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে সামিটের টার্মিনালে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হয়েছিল। সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।
দেশে আমদানি করা এলএনজি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার জন্য কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এর একটি পরিচালনা করে সামিট গ্রুপ, অন্যটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জি।
সামিটের টার্মিনালের দৈনিক গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। দুটি টার্মিনাল থেকে সম্মিলিতভাবে দৈনিক সর্বোচ্চ ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব।
দেশের গ্যাসের চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ আমদানি করা এলএনজির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। স্থানীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদিত গ্যাসের সঙ্গে এলএনজি রূপান্তরের মাধ্যমে পাওয়া গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকের কাছে পৌঁছায়।