অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬:১৬, ৩ নভেম্বর ২০২৬
গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকার মহাখালীর এসকেএস টাওয়ারের স্টার সিনেপ্লেক্সে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গ্যাপ’-এর বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ব্যক্তিগত সংকট, দেশের পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন সালমান। ছবিটি ইতোমধ্যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে।
সরকারের কাছে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে কোনো বার্তা আছে কি না জানতে চাইলে সালমান বলেন, সরকারকে কিছু বলার সুযোগ এখনো পাননি তিনি। এ বিষয়ে উদ্যোগ নিয়ে আন্তরিকভাবে প্রস্তাব দিলেও কোনো সাড়া মেলেনি। তাই তাঁর বক্তব্য শোনার মতো পরিবেশ তৈরি হবে কি না, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে সালমান বলেন, এ বিষয়ে যাদের কথা বলা প্রয়োজন, তাঁদেরই কথা বলা উচিত। সাধারণ নাগরিক হিসেবে মানুষ কেবল পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা নিতে পারে। তবে এ নিয়ে তাঁদের বক্তব্যে বাস্তবে কতটা পরিবর্তন আসে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
নিজের স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে কঠিন সময় পার করার কথাও জানান এই কনটেন্ট নির্মাতা। তিনি বলেন, তাঁরা বড় ধরনের সংকট মোকাবিলা করছেন।
ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতি ও কষ্টের মুখে পড়লেও হতাশ হয়ে বসে থাকতে চান না। তাঁর মতে, জীবনে ভালো কিছু পেতে হলে খারাপ সময়ের জন্যও প্রস্তুত থাকতে হয়।
তাঁকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে সালমান বলেন, অভিযোগকারীরা সরাসরি তাঁর সঙ্গে কথা বললে বিষয়টি সমাধানের সুযোগ থাকত। কিন্তু প্রমাণ ছাড়াই অভিযোগ ছড়িয়ে দেওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ। তাঁর ভাষ্য, এমন ঘটনা অনেকের ব্যক্তিগত জীবন, সামাজিক মর্যাদা ও পেশাগত ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিতে পারে। তাই অভিযোগ প্রকাশের ক্ষেত্রে সবার দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।
স্টুডিও ভাঙার ঘটনার পর বাংলাদেশে কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সালমান স্পষ্ট করে বলেন, দেশে থাকার পরিকল্পনা তাঁর আগে থেকেই ছিল না। তবে স্টুডিও ভাঙার ঘটনার পর বাংলাদেশে আর স্টুডিও পরিচালনা করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নতুন করে দেশটিতে কোনো বিনিয়োগও করবেন না।