অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১১:৩২, ৪ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১২:৪৭, ৪ নভেম্বর ২০২৬
এই ফলের মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটনের ক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ তিন কেন্দ্র-প্রেসিডেন্টের কার্যালয়, প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট-এককভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে রিপাবলিকানদের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ছে। ফলে দলটির ‘ট্রাইফেকটা’ বা তিন কেন্দ্রের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ভেঙে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
সিনেটের নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ফিরিয়ে নিতে ডেমোক্র্যাটদের চারটি আসন বাড়ানো প্রয়োজন ছিল। সেই লক্ষ্য অর্জনে কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে দলটির জয় বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে কিছু ফলাফল ছিল বেশ চমকপ্রদ।
এর অন্যতম উদাহরণ সাউথ ক্যারোলাইনা। রিপাবলিকানদের দীর্ঘদিনের দখলে থাকা অঙ্গরাজ্যটির একটি সিনেট আসনে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ও চিকিৎসক অ্যানি অ্যান্ড্রুজ। তিনি পরাজিত করেছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডারলিন গ্রাহামকে। আসনটির আগের প্রতিনিধি ছিলেন ডারলিন গ্রাহাম। তিনি দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা প্রয়াত সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের বোন।
সাউথ ক্যারোলাইনায় ডেমোক্র্যাটদের এই জয়কে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, অঙ্গরাজ্যটিতে সর্বশেষ ১৯৯৮ সালে একজন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী সিনেট নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর এবার সেই আসন পুনরুদ্ধার করল দলটি।
এদিকে সাউথ ক্যারোলাইনার প্রতিবেশী নর্থ ক্যারোলাইনাতেও সিনেটের আসনে পরিবর্তন এসেছে। সেখানে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ও সাবেক গভর্নর রয় কুপার তার রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মাইকেল হোয়াটলিকে পরাজিত করেছেন। এই জয়ের ফলে সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের এসব ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্যে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির আইন প্রণয়ন ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।