আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২২:৩৮, ৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তি ফেসবুকে ওই বাংলাদেশির স্ত্রীর ব্যক্তিগত ছবি প্রকাশ করেছিলেন। বারবার অনুরোধ করার পরও তিনি ছবিগুলো সরিয়ে নিতে রাজি হননি। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। পরে বন্ধুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছুরি নিয়ে কর্মস্থলের একটি স্থানে বন্ধুর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। ওই ব্যক্তি সেখানে অবস্থান করছেন নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি তার জন্য অপেক্ষা করেন। পরে বন্ধু বাইরে বের হলে তার ওপর হামলা চালান। এতে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
আদালতে অভিযুক্ত ব্যক্তি হত্যার দায় স্বীকার করেন। তিনি জানান, বিরোধের আগে তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল।
অভিযুক্তের ভাষ্য অনুযায়ী, একবার তার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে বন্ধু তার স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই ছবি তুলেছিলেন। পরে সেই ছবিগুলো ফেসবুকে প্রকাশ করেন।
ওই ছবির নিচে স্ত্রীর বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি বন্ধুকে ছবিগুলো সরিয়ে নিতে বলেন। কিন্তু বন্ধু তা করতে অস্বীকৃতি জানান। বরং পরে আরও ছবি প্রকাশ করেন। এতে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার স্ত্রীর মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
আদালতে অভিযুক্ত ব্যক্তি বলেন, এ বিরোধের জের ধরে তিনি প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং হত্যার পরিকল্পনা করে তা বাস্তবায়ন করেন।
সবকিছু বিবেচনায় আদালত তাকে ইচ্ছাকৃত ও পূর্বপরিকল্পিত হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন।
সূত্র: গাল্ফ নিউজ