খান মইনুদ্দিন
প্রকাশ: ২২:৪৩, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২২:৪৫, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজনীতির ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে টেকনাফে ইয়াবার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন এমপি শাহজাহান চৌধুরী। মোটা অঙ্কের ইয়াবার টাকার মোহে অন্ধ হয়ে তিনি টেকনাফের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি মনির আলম বাদশা ওরফে বাতাইন্নাকে বানিয়ে দেন টেকনাফ পৌর কৃষকদলের আহ্বায়ক! পদ পাওয়ার পরপরই মনিরের দাপট বেড়ে যায় কয়েক গুণ। ২০২১ সালের ২৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে আসা সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে ঢাকার বিমানবন্দর স্টেশনে নামতেই পুলিশের ঘেরাওয়ে পড়ে মনির ও তার ভাই রফিক। তল্লাশি চালিয়ে তাদের ব্যাগ থেকে উদ্ধার করা হয় প্রায় ২৬ হাজার ৬৩৫ পিস ইয়াবা! মূলত এমপি শাহজাহান চৌধুরীর দেওয়া পদের দাপট দেখিয়েই এরা টেকনাফ থেকে ঢাকা পর্যন্ত নির্বিঘ্নে ইয়াবার চালান পাঠাচ্ছিল।
প্রশাসনের একের পর এক সাঁড়াশি অভিযানে এখন দিশেহারা সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরী ও তার ইয়াবা সহযোদ্ধারা। একে একে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জালে আটকে গেছে শাহজাহান চৌধুরীর প্রায় শতাধিক অনুসারী ও ক্যাডার। মনির ও রফিক ধরা পড়ার পর নিজেদের মাদক ব্যবসা আড়াল করতে মনিরের বাবা আব্দুল গফুর এখন নিজেই কাউন্সিলর হওয়ার জন্য নানা নাটকে নেমেছে। এমপিকে টাকা দিয়ে পদ কিনে নিয়ে টেকনাফ ও উখিয়াকে ইয়াবার অভয়ারণ্য বানিয়েছেন এই মাদক কারবারিচক্র।
টাকার লোভে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের নেতা বানিয়ে সীমান্ত এলাকাকে বিষাক্ত করে তোলার এই নোংরা খেলায় প্রচণ্ড ক্ষোভে ফেটে পড়েছে টেকনাফের সাধারণ মানুষ। পদের আড়ালে যারা হাজার হাজার যুবকের জীবন ধ্বংস করছে, তাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলছে স্থানীয় জনতা। সীমান্তবাসীর একটাই কথা, শুধু চুনোপুঁটি মনিরের মতো ক্যাডার ধরলেই হবে না, মাদক কারবারিদের পদ বেচা আর পেছনে থেকে আশ্রয় দেওয়া মূল হোতা এমপি শাহজাহান চৌধুরীকেও অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে।
দর্শক পরবর্তী পর্বে থাকছে আরো বিস্তারিত চোখ রাখুন দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনে,,,
শীর্ষ সংবাদ: