নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২২:১৯, ৬ নভেম্বর ২০২৬
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা জানান রাশেদ খাঁন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, অভিযোগের ঘটনা সামনে আসার পর ইসলামিক বক্তা তারেক মনোয়ার আমির হামজাকে স্মার্টফোনের পরিবর্তে বাটনফোন ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিলেন।
রাশেদ খাঁনের দাবি, কুষ্টিয়া-৩ আসনে উপযুক্ত প্রার্থী না থাকায় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান আমির হামজাকে নির্বাচনে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। এ সময় আমির হামজাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্তের আহ্বান জানান।
নিজের পোস্টে রাশেদ খাঁন বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তিনি আমির হামজার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কিছু তথ্যপ্রমাণ পেয়েছেন। এ ছাড়া কয়েকটি অডিও ও স্ক্রিন রেকর্ডের সত্যতা যাচাই করতে অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম দ্য ডিসেন্ট এবং ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, দ্য ডিসেন্ট আমির হামজার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি। তথ্য যাচাইয়ে বিলম্ব হওয়ায় পরবর্তী সময়ে অন্য একটি সূত্র থেকে অডিও-ভিডিওর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। তবে ওই সূত্রের পরিচয় কিংবা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে দেওয়া আরেকটি ফেসবুক পোস্টে আমির হামলাকে ঘিরে নারীসংক্রান্ত অভিযোগের অডিও-ভিডিও নিজের কাছে রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন রাশেদ খাঁন। সেগুলোর সত্যতাও যাচাই করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
পোস্টে জামায়াতে ইসলামীর স্লোগান ‘আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই’ উল্লেখ করে দলটির নেতৃত্বের কাছে প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তার বক্তব্য, আমির হামজার মতো ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়ার মাধ্যমে দলটি কী ধরনের শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আমির হামজাকে দল থেকে বহিষ্কার এবং সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগে বাধ্য করার বিষয়ে জামায়াতের নেতৃত্ব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।