নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২২:৫৪, ৮ নভেম্বর ২০২৬
রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) মিলনায়তনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ছাত্রদল আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
২০২৪ সালের গণআন্দোলনে তরুণদের আত্মত্যাগের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, মুগ্ধ, আবু সাঈদ ও ফাইয়াজদের মতো তরুণেরা বুক পেতে গুলি গ্রহণ করে যে বিপ্লবের বাস্তবতা তৈরি করেছেন, তা বৃথা যেতে পারে না। এত রক্ত ঝরানোর পরও শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আসার কথা বলছেন। তিনি প্যারাসুট দিয়ে দেশে নেমে আসবেন আর সবাই তাকে অভ্যর্থনা জানাবে, এমন পরিস্থিতি কখনো তৈরি হবে না।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ভারত থেকে নানা বক্তব্য দিয়ে দেশে ফেরার কথা বলছেন। তিনি দিবাস্বপ্নের মধ্যে রয়েছেন। যারা দেশের মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে এবং হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তাদের ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে বিদেশি প্রভাবের বিরোধিতা করে রিজভী বলেন, ৭ নভেম্বরের মধ্য দিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পাশাপাশি বিদেশি প্রভাবমুক্ত পররাষ্ট্রনীতি ও অভ্যন্তরীণ নীতির সূচনা হয়েছিল। বাংলাদেশ কার সঙ্গে বন্ধুত্ব করবে, কার সঙ্গে চুক্তি করবে, তা এ দেশের সরকার ও জনগণই নির্ধারণ করবে। অন্য কোনো দেশের ইশারায় রাষ্ট্র পরিচালিত হতে পারে না।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে রিজভী বলেন, শত আক্রমণ ও হুমকির মধ্যেও তিনি দলের হাল ধরে রেখেছেন। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দলকে সঠিক পথে পরিচালিত করছেন। ৭ নভেম্বরকে তিনি এমন একটি কম্পাস হিসেবে উল্লেখ করেন, যা সংকটের সময় সঠিক পথ দেখায়।