আলমগীর হোসেন (ফয়সাল), লক্ষ্মীপুর
প্রকাশ: ১২:০২, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গত ২৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নুরুল্লাহ সমাজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ফয়সালের বাবা গোলাম মাওলা বাদী হয়ে ওয়াহেদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রামগতি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্র জানায়, প্রতিবেশী এক তরুণীর সঙ্গে ফয়সালের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ওই রাতে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে তার বাড়িতে যান ফয়সাল। বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে এলে ঘরে তল্লাশি চালিয়ে খাটের নিচ থেকে তাকে আটক করা হয়।
ফয়সালের পরিবারের অভিযোগ, আটকের পর তাকে বেঁধে রেখে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তক্ষরণ ও গুরুতর জখম হয়। এমনকি তাকে ছেড়ে দেয়ার বিনিময়ে পরিবারের কাছে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তার বাবা গোলাম মাওলা।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে ফয়সালকে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ফরিদ মেম্বারের জিম্মায় দেয়া হয় বলে জানা গেছে।
ইউপি সদস্য ফরিদ মেম্বার জানান, ফয়সালকে আটকের পর তার কাছে নিয়ে আসা হয়। তিনি যুবকটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে বিষয়টি সামাজিকভাবে বসে মীমাংসার উদ্যোগ নেয়া হয়।
তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওয়াহেদ। তিনি বলেন, গভীর রাতে ফয়সাল তার বোনের ঘরের খাটের নিচে আত্মগোপন করেছিলেন। সেখান থেকেই তাকে আটক করা হয়। স্থানীয় কিছু যুবক তাকে মারধরের চেষ্টা করলে তিনি অন্যদের সহায়তায় ফয়সালকে রক্ষা করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ইউপি সদস্যের জিম্মায় তুলে দেন।
রামগতি থানার ওসি লিটন দেওয়ান জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।