শেয়ারবিজনেস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭:১৪, ১০ অক্টোবর ২০২৬
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাশথুপী গ্রাম থেকে ভ্যানে করে বড়তারা ইউনিয়নের বড়তারা গ্রামে মাংস নেওয়ার সময় পুলিশ গরুটির অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারে। পরে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগকে জানানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থ গরুটি জবাই করে মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে অন্য গ্রামে নেওয়া হচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানায়। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
ক্ষেতলাল উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুর রউফ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১-এর আওতায় ইব্রাহিম, এন্তাজুল, আলাউদ্দিন ও রবিউল নামের চারজনকে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে গরুটির অবশিষ্টাংশ মাটিচাপা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অসুস্থ গরু জবাইয়ের বিষয়টি জানতে পারে। পরে উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুর রউফ বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে গরুটির অসুস্থতার বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। বিষয়টি যাচাই করে আইন অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি গরুটির অবশিষ্টাংশ মাটিচাপা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ফারুক মিয়া বলেন, অসুস্থ গরুর মাংস খাওয়ার উপযোগী নয়। এ ধরনের মাংস খেলে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
অভিযানের সময় ক্ষেতলাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদ হাসান ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।