ইয়াছিন মাহমুদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশ: ১৩:২০, ১১ অক্টোবর ২০২৬
গত শুক্রবার-(৯ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের প্রতিক্রিয়ায় আবেগাপ্লুত রুবেল চৌধুরী ফুজায়েল বলেন,“দলের অভ্যন্তরে কিছু ভুল-বোঝাবুঝির কারণে প্রায় তিন বছর আগে আমাকে বহিষ্কার হতে হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পর মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে সেটির অবসান ঘটেছে। দলের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে কেন্দ্রীয় সংসদের এই সিদ্ধান্তকে আমি নতুন করে পথচলার অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছি। বিগত সরকারের শাসনামলের স্মৃতিচারণ করে তিনি আরও বলেন, দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকতে গিয়ে তাঁকে একাধিক মামলা, জেল-জুলুম ও কঠোর নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়েছে।
তবে কোনো প্রতিকূলতাই তাঁকে জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি বরং তা তাঁকে আরও সংকল্পবদ্ধ করেছে। ভবিষ্যৎ পথচলা ও সাংগঠনিক পরিকল্পনা নিয়ে ফুজায়েল বলেন,
“রাজনীতি কেবল পদ পদবির জন্য নয়, এটি আদর্শ, ত্যাগ, দায়িত্ববোধ ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নাম। অতীতের ভুল বোঝাবুঝি পেছনে ফেলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ছাত্রদলকে একতাবদ্ধ
ও গতিশীল করা-ই আমার মূল লক্ষ্য। দলের দুঃসময়ে ত্যাগী কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন এবং নতুন প্রজন্মকে সংগঠনের আদর্শে উজ্জীবিত করতে কাজ করে যাব।
তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে অর্পিত বিশ্বাসের মর্যাদা রাখার অঙ্গীকার করেন।