চবির হীরকজয়ন্তী উপলক্ষ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন

দেবদাস বিশ্বাস, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশ: ২২:৫৮, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

চবির হীরকজয়ন্তী উপলক্ষ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৬০ বছর পূর্তি ও হীরকজয়ন্তী উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে অংশগ্রহণকারীদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে সাবেক শিক্ষার্থীদের জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হলেও বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো ফি রাখা হয়নি।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও হীরকজয়ন্তী উদ্‌যাপন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। আগামী ১৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এ আয়োজন করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হীরকজয়ন্তীতে নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারীদের জন্য দুপুরে আপ্যায়নের ব্যবস্থা রাখবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারীদের জন্য টি-শার্ট ও ক্যাপ দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

সাংস্কৃতিক আয়োজন প্রসঙ্গে জানানো হয়, অনুষ্ঠানে দেশের জনপ্রিয় ও নামকরা ব্যান্ড দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বাজেট ও সময়ের সমন্বয় সম্ভব হলে সুবর্ণজয়ন্তীর আদলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দেশের উচ্চশিক্ষার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে বিশ্ববিদ্যালয়টি আজ দেশের অন্যতম বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। হীরকজয়ন্তী উদ্‌যাপনের মধ্য দিয়ে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা সাবেক শিক্ষার্থী ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেলবন্ধন আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অর্জন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চান তাঁরা।

এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শুভানুধ্যায়ীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে হীরকজয়ন্তীর আয়োজনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। পাশাপাশি আয়োজনের প্রচার ও প্রসারে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া এলামনাই প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য দেন চবি সিনেট সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমির হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আসলাম চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে চবি সিনেট সদস্য ড. মোহাম্মদ মনজুর-উল-আমিন চৌধুরী ও অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. এম. আবদুল গফুর, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রভোস্ট, বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের সভাপতি ও পরিচালক, কলেজ পরিদর্শক, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টর, ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, চাকসু কেন্দ্রের পরিচালক, হীরকজয়ন্তী আয়োজক কমিটির সদস্যবৃন্দ, কমিটির সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. হাছান মিয়াসহ আমন্ত্রিত অতিথি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, এলামনাই, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন