মাহমুদুল হাসান, ময়মনসিংহ
প্রকাশ: ১৭:৪৭, ১ অক্টোবর ২০২৬
এরই মধ্যে সেতুর মাঝের একটি অংশ ভেঙে যাওয়ায় ঝুঁকি আরও বেড়েছে। তারপরও প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ সেতু দিয়ে চলাচল করছে ছোট-বড় অসংখ্য যানবাহন ও পথচারী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৭-৬৮ সালে নির্মিত এই সেতুটি ত্রিশালের ধানীখোলা এলাকার মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দীর্ঘ সময় ধরে সংস্কার না হওয়ায় সেতুটির বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়েছে। কোথাও কোথাও বেরিয়ে এসেছে রড, সৃষ্টি হয়েছে ফাটল। যানবাহন চলাচলের সময় সেতুটি কেঁপে ওঠায় আতঙ্কের মধ্যেই পারাপার হতে হচ্ছে চালক ও যাত্রীদের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেতুটির বেহাল অবস্থা থাকলেও স্থায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি। বর্তমানে সেতুর একটি অংশ ভেঙে যাওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন তারা। দ্রুত সংস্কার অথবা নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসনাত জাহান খান বলেন, সেতুটির প্রয়োজনীয় সংস্কারের জন্য উপজেলা প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা হয়েছে। আপাতত প্রয়োজনীয় সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সেতুটি নতুন করে নির্মাণের জন্যও প্রস্তাব রয়েছে।
ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী যুবায়েত হোসেন বলেন, সেতুটি ভেঙে যাওয়ার আগেই নতুন সেতু নির্মাণের জন্য ৪৫ মিটার দৈর্ঘ্যের প্রস্তাবনা এবং এমপি স্যারের ডিও লেটারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে সেতুর একটি অংশ ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলীকে জানানো হয়েছে। ভাঙা অংশটি মেরামত করে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দুর্ঘটনার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটির ভাঙা অংশ দ্রুত মেরামতের পাশাপাশি নতুন সেতু নির্মাণের প্রক্রিয়া কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে।