নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮:১৬, ১ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১৮:১৮, ১ অক্টোবর ২০২৬
অভিযুক্ত হেলাল উদ্দিন ওরফে বেলাল মুন্সি (৫৫) উপজেলার শেরপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। ঘটনার পর থেকে তিনি এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে আছেন।
স্থানীয় ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে উপজেলার সংগ্রামখেলি কোনাপাড়া জামে মসজিদে প্রতিদিনের মতো মক্তবে আরবি পড়তে যায় এলাকার শিশুরা। পড়া শেষে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়া হলেও অভিযুক্ত বেলাল মুন্সি কৌশলে ওই শিশুকন্যাকে মসজিদের ভেতরে একা আটকে রাখেন। একপর্যায়ে তিনি মসজিদের দরজা বন্ধ করে শিশুটির ওপর শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালান। শিশুটি কোনোমতে তাঁর হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে দৌড়ে বাড়ি গিয়ে পরিবারকে বিষয়টি বিস্তারিত জানায়।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পরদিন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানানো হলেও তিন দিনেও কোনো সুষ্ঠু বিচার বা সালিশ পাওয়া যায়নি। উল্টো অভিযুক্ত জামায়াত নেতা তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব খাটিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিষয়টি জানাজানি হলে উত্তেজিত এলাকাবাসী অভিযুক্তের বাড়ি ঘেরাও করে। জনরোষের মুখে পড়ার পর থেকেই আসামি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত হেলাল উদ্দিন দাবি করেন, জমিজমা সংক্রান্ত শত্রুতার জেরে তাঁর কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়েছিল। টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে মিথ্যা ঘটনা রটানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, শিশুটির বাবার আবেদনের ভিত্তিতে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা যাচাই ও পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে