মুলাদীতে কৃষক হত্যা মামলার প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১২:৫০, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

মুলাদীতে কৃষক হত্যা মামলার প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার

অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে এসআরবি-৮ নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায়, বরিশাল জেলার মুলাদী থানার চাঞ্চল্যকর কৃষক মোঃ শুক্কুর আলী হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত রহমত উল্লাহ ফরাজী’কে ১৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ রাত ২১.৩০ ঘটিকার সময় ডিএমপি, ঢাকার কোতোয়ালি থানাধীন বাবুবাজার এলাকা হতে গ্রেফতার করে এসআরবি-৮ ও এসআরবি-১০ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল।

ঘটনার বিবরণ:

প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, নিহত মোঃ শুকুর আলী (৪২) বরিশাল জেলার মুলাদী থানাধীন গাছুয়া ইউনিয়নের চর ধলেশ্বর এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। স্থানীয় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাঁর পূর্ববিরোধ ছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারের অভিযোগ অনুযায়ী, সরকার ঘোষিত চলমান মৎস্য অভিযান চলাকালে জাটকা ইলিশ নিধন থেকে বিরত থাকা এবং কৃষ্ণপুর এলাকায় জুয়া খেলা নিষেধ করার কারণে অভিযুক্তরা তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ ছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ১৭:৪০ ঘটিকার সময় মোঃ শুকুর আলী কৃষ্ণপুর এলাকার একটি দোকানে চা পান শেষে বাড়ি ফেরার পথে মিরাজের চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থাকা এজাহারনামীয় অভিযুক্তরা এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তাকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়।

পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মুলাদী থানাধীন কাজিরচর ইউনিয়নের মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে ১৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ ভোরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মুলাদী থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযান ও গ্রেফতার:

উক্ত চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত রহমত উল্লাহ ফরাজী'কে গ্রেফতারের লক্ষ্যে এসআরবি-৮, সদর কোম্পানী, বরিশাল এবং এসআরবি-১০, সিপিসি-১, যাত্রাবাড়ি, ঢাকা এর একটি চৌকস আভিযানিক দল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন