নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২২:২৮, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২২:৩১, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াসের আদালতে রিমান্ড শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুল হক দিদার এ সন্দেহের কথা জানান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের সময়কার একটি ভিডিও ধারণ করেছিলেন তাহসিফ। পরবর্তী সময়ে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। হত্যার পেছনের কারণ এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা জানতে দীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, দীপের পক্ষে আইনজীবী মনিরুল ইসলাম ও মুতাসিম বিল্লাহ রিমান্ড আবেদন বাতিলের দাবি জানান। তাদের ভাষ্য, নিহত তাহসিফের সঙ্গে দীপের ছয় বছরের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। শুরু থেকেই তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করে আসছেন।
আইনজীবী মনিরুল ইসলাম বলেন, তাহসিফের পরিবারের পক্ষ থেকেও দীপের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অভিযোগ করা হয়নি। তাঁর মক্কেল গণমাধ্যমের বিচারের শিকার হচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন এই আইনজীবী। তবে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে তারাও তদন্তের পক্ষে বলে জানান।
দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত দীপের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুল হক দিদার। তিনি জানান, দীপের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন, অপরাধের আলামত নষ্ট করা এবং অপরাধীকে শাস্তি থেকে রক্ষা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ২০৩, ২০১ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এদিকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় এক স্বজনকে উদ্দেশ করে দীপ বলেন, ‘আমি ফুললি স্ট্রং।’ এ সময় তাকে নিয়ে দুশ্চিন্তা না করতেও বলেন তিনি।