নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৪:৫৭, ৬ নভেম্বর ২০২৬
এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-১, জামালপুর এবং এসআরবি-১১-এর সিপিসি-৩, লক্ষ্মীপুরের যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ১৬ বছর বয়সী কিশোরীর সঙ্গে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আনোয়ার হোসেন রানার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর আসামি কিশোরীকে তার বাবার বাড়ি থেকে ডেকে শেরপুর শহরের একটি বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে একজন ভুয়া কাজীর মাধ্যমে নীল রঙের কাগজে কিশোরীর স্বাক্ষর নিয়ে বিয়ের নাটক সাজানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরবর্তী সময়ে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয় ও বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করে আসামি নিজের বাড়ি এবং ভুক্তভোগীর বাবার বাড়িতে তার সঙ্গে মেলামেশা করেন। একপর্যায়ে কিশোরী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে আসামির কাছে বিয়ের কাবিননামা চান। তবে আসামি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, গত ৭ আগস্ট সকালে আসামি যৌতুক হিসেবে তিন লাখ টাকা দাবি করেন। ভুক্তভোগীর পরিবার ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে কিশোরীকে গালিগালাজ করেন এবং তাকে আইনগতভাবে বিয়ে করেননি বলে জানান। পরে কিশোরী শেরপুরের বিভিন্ন কাজী অফিসে খোঁজ নিয়ে তাদের বিয়ের কোনো কাবিননামা না থাকার বিষয়টি জানতে পারেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে শেরপুর সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রধান এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে আনোয়ার হোসেন রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শেরপুর সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।