চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
প্রকাশ: ০৯:৫৩, ১ অক্টোবর ২০২৬
সম্প্রতি মিরসরাই উপজেলা জামায়াতের দায়িত্বশীলদের এক বৈঠকে তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।
স্থানীয় জামায়াতের একাধিক দায়িত্বশীল নেতার ভাষ্য, ইমরান হাসান আকন্দ ও সাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। তাদের এসব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তারা নিজেদের সংশোধন করেননি। এতে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করেন স্থানীয় নেতারা।
পরে বিষয়টি উপজেলা জামায়াতের দায়িত্বশীল বৈঠকে উত্থাপন করা হয়। সেখানে সংগঠনের নীতি-আদর্শ ও দলীয় শৃঙ্খলা বিবেচনায় নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে নেতাকর্মীদের তাদের এড়িয়ে চলার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
মিরসরাই পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা শিহাব উদ্দিন গণমাধ্যমে বলেন, জামায়াতের নীতি আদর্শ হলো সৎলোকের শাসন ও আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন করা। কিন্তু বহিষ্কৃতরা তার বিপরীত পথে হাঁটছিল। তাদেরকে সতর্ক করার পরেও সংশোধন না হওয়ায় শাস্তি স্বরূপ বহিষ্কার করা হয়েছে।
মিরসরাই উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা নুরুল কবির গণমাধ্যমে বলেন, প্রয়োজনে ৫ জন নিয়ে রাজনীতি করবো তবুও অসৎ লোকদের জায়গা দেওয়া হবে না। তাদের সততার ঘাটতি ছিল তাই বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি সাংগঠনিক নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তাদেরকে এড়িয়ে চলার জন্য।
তবে নিজের বহিষ্কারের বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন চাকসুর স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ইমরান হাসান আকন্দ। তিনি গণমাধ্যমে বলেন, “আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের আইন বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলাম। চাকসুর নির্বাচিত স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক। আমি তো জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয় নই। তাহলে জামায়াত কীভাবে আমাকে বহিষ্কার করবে।"