নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৬:৪৭, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার নওপাড়া তাজপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা এলাকা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।
এসআরবি-১৪-এর সিপিএসসি, ময়মনসিংহের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামি ও ভিকটিমের অবস্থান শনাক্ত করে এ অভিযান চালায়।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভিকটিম মাদ্রাসায় যাওয়া-আসার পথে সাকিব তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। বিষয়টি পরিবারের সদস্যরা জানতে পেরে সাকিবের পরিবারকে জানালে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে শিশুটিকে অপহরণের হুমকি দেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে ভিকটিমের বাড়ির কাছের একটি রাস্তা থেকে সহযোগীদের সহায়তায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় জোরপূর্বক তাকে তুলে নিয়ে যান সাকিব। পরে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়।
এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা ময়মনসিংহের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পিটিশন মামলা করেন। আদালতের আদেশে গত ১১ অক্টোবর ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ও ৯(১) ধারায় মামলা করা হয়।
মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে ছিলেন। পরে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার ও ভিকটিমকে উদ্ধার করে এসআরবি।
উদ্ধার হওয়া শিশুটিকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা এবং গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।