জাহাঙ্গীর আলম খন্দকার
প্রকাশ: ২১:০১, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গত ২১ সেপ্টেম্বর কোরিয়ান মার্ট বাংলাদেশ নামক একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় ভ্যাট বিভাগ। অভিযানে জব্দ করা ল্যাপটপ, কম্পিউটার, নিজস্ব সফটওয়্যার ও ব্যবসায়িক নথিপত্র যাচাই করে ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৬৩ হাজার ৬৪৭ টাকার নিয়মবহির্ভূত বিক্রয় তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিক্রয়ের বিপরীতে ৩ কোটি ১৯ লাখ ৫৭ হাজার ৪৯০ টাকা ভ্যাট ফাঁকির তথ্য পেয়েছে এনবিআর ।
গত ২১ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালানো হয়। কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট ঢাকা (পশ্চিম)-এর কমিশনারের নির্দেশনায় এবং পল্লবী বিভাগীয় কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে মূসক-১২.১ প্রদর্শন করে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করা হয়।
অভিযানে প্রতিষ্ঠানের ল্যাপটপ, কম্পিউটার, কুরিয়ার সার্ভিসের তথ্য, নিজস্ব সফটওয়্যার ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক দলিলপত্র খতিয়ে দেখেন ভ্যাট কর্মকর্তারা। এসব তথ্য পর্যালোচনার পর ভ্যাট ফাঁকির সুস্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এরপর অধিকতর তদন্তের জন্য মূসক-১২.৩ ইস্যু করে প্রতিষ্ঠানের ল্যাপটপ, কম্পিউটার ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথির তথ্য পেনড্রাইভে সংরক্ষণ করে জব্দ করা হয়। জব্দ করা তথ্য-উপাত্ত যাচাই করতেই বেরিয়ে আসে বিপুল অঙ্কের নিয়মবহির্ভূত বিক্রয়ের তথ্য।
ভ্যাট বিভাগের হিসাবে, নিয়মবহির্ভূত বিক্রয়ের পরিমাণ ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৬৩ হাজার ৬৪৭ টাকা। আর এর বিপরীতে ফাঁকিকৃত মূসকের পরিমাণ ৩ কোটি ১৯ লাখ ৫৭ হাজার ৪৯০ টাকা।
অর্থাৎ, বিপুল অঙ্কের বিক্রয় কার্যক্রমের তথ্য পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির হিসাব ও ভ্যাট পরিশোধের তথ্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিষয়টি এখন ভ্যাট বিভাগের তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে।
এ ঘটনায় কোরিয়ান মার্ট বাংলাদেশ -এর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান বলে জানিয়েছে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট ঢাকা (পশ্চিম)।